Frequently Asked Questions

নাজিরশাইল চাল ২৫ কেজি দাম কত? +
OSCO ব্র্যান্ডের ন্যাচারাল স্ট্যান্ডার্ড নাজিরশাইল চাল ২৫ কেজির দাম মাত্র ৳১,৬৯৫ (নিয়মিত মূল্য ৳১,৯৫০ থেকে ছাড়ে), অর্থাৎ প্রতি কেজি পড়ে মাত্র ৳৬৭.৮০। চালটি ১০০% কেমিক্যাল মুক্ত, কোনো পলিশিং বা মোম ব্যবহার করা হয় না। কুরিয়ার অফিস ডেলিভারি সম্পূর্ণ ফ্রি এবং ক্যাশ অন ডেলিভারিতে অর্ডার করা যায়।
কীভাবে খাবেন? +
চিড়া-মুড়ির মতো সরাসরি, দুধ-কলার সাথে, ঝাল মুড়ি হিসেবে বা ইফতারে চানাচুরের বিকল্প হিসেবে - যেকোনোভাবে খাওয়া যায়।
বনভূমি চা কি ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে? +
জারিফ ব্র্যান্ডের স্পেশাল রাইস — স্ট্যান্ডার্ড নাজির, প্রিমিয়াম কাটারি নাজির ও জিরাশাইল চাল সাশ্রয়ী মূল্যে ও ক্যাশব্যাক অফারসহ অস্কো ব্র্যান্ডে এখনই অর্ডার করুন।
বনভূমি ডায়াবেটিস চা আসলে কি? +
জারিফ ব্র্যান্ডের স্পেশাল রাইস — স্ট্যান্ডার্ড নাজির, প্রিমিয়াম কাটারি নাজির ও জিরাশাইল চাল সাশ্রয়ী মূল্যে ও ক্যাশব্যাক অফারসহ অস্কো ব্র্যান্ডে এখনই অর্ডার করুন।
OSCO ফাইবার সমৃদ্ধ লাল মুড়ি +

কারা কিনবেন?ডায়াবেটিস রোগীর স্বাস্থ্যকর নাশতা হিসেবে এটি আদর্শ। এছাড়াও যারা ওজন নিয়ন্ত্রণ করতে চান, হজমের সমস্যায় ভুগছেন বা রমজানে হালকা ইফতার খুঁজছেন - তাদের জন্য ফাইবার সমৃদ্ধ লাল মুড়ির দাম ও মান দুদিক থেকেই OSCO সেরা পছন্দ।

ব্লাক রাইস এর কয়টি জাত আছে? +

সারাবিশ্বে ব্লাক রাইস এর অনেকগুলো জাত আছে, তবে বাংলাদেশে

•ভিয়েতনাম

•ইন্দোনেশিয়া

•জাপান

এই জাতগুলো বর্তমানে দেশীয়ভাবে চাষাবাদ করা হচ্ছে। 

OSCO Brand-এর চাল কি রাসায়নিকমুক্ত? +
হ্যাঁ, OSCO Brand-এর চাল সম্পূর্ণ রাসায়নিকমুক্ত। আমরা বিশ্বাস করি যে খাঁটি ও প্রাকৃতিক খাবারই পারে একটি সুস্থ পরিবার গড়ে তুলতে। তাই OSCO Brand শুরু থেকেই রাসায়নিক ও কৃত্রিম উপাদানমুক্ত চাল সরবরাহের প্রতিশ্রুতি নিয়ে কাজ করে আসছে।
কালো চাল এর মধ্যে সবচেয়ে ভালো কোন জাতের টা? +

কালো চালের তিনটি জাতের মধ্যে সবচেয়ে চিকন জাপানি জাতের টি।

একটি রান্নার সময় হালকা সুগন্ধ পাওয়া যায়, অন্য জাত গুলোর তুলনায় এটা বেশি কালো এবং সুস্বাদু হয়। 

কাউন চাল কি সাধারণ চালের বিকল্প হিসেবে খাওয়া যায়? +
হ্যাঁ, কাউন চাল ভাতের বিকল্প হিসেবে অনায়াসেই খাওয়া যায়। এটি সাদা চালের চেয়ে অনেক বেশি স্বাস্থ্যকর এবং পুষ্টিকর। আপনি এটি দিয়ে ভাত, খিচুড়ি, জাউ বা পায়েস তৈরি করতে পারেন।
কাউন চালে কি গ্লুটেন আছে? +
না, কাউন চাল সম্পূর্ণ গ্লুটেন-মুক্ত (Gluten-free)। যারা সিলিয়াক ডিজিজ বা গ্লুটেন অ্যালার্জিতে ভুগছেন, তাদের জন্য এটি একটি নিরাপদ ও আদর্শ খাবার।
ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য কাউন চাল কি উপকারী? +
অবশ্যই। কাউন চালের গ্লাইসেমিক ইনডেক্স কম হওয়ায় এটি রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে। ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য এটি সাদা ভাতের সবচেয়ে ভালো বিকল্প।
কাউন চালে কী কী পুষ্টিগুণ আছে? +
কাউন চালে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন, ডায়েটারি ফাইবার, আয়রন, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম এবং ভিটামিন বি-কমপ্লেক্স রয়েছে। এটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্টেরও একটি চমৎকার উৎস।
কাউন চালের বর্তমান দাম কত? +
২০২৬ সালের বাজার দর অনুযায়ী, OSCO Brand-এর ১ কেজি প্রিমিয়াম অর্গানিক কাউন চালের মূল্য মাত্র ১৯৮ টাকা।
লাল চাল কত টাকা কেজি? +
OSCO ব্র্যান্ডের লাল চালের দাম প্যাকেজ অনুযায়ী ভিন্ন। ১ কেজি হাফ ফাইবার লাল চালের দাম ৳১০৯ এবং ফুল ফাইবার ৳১১৫। বড় প্যাকেজে কিনলে প্রতি কেজির দাম কম পড়ে, ১০ কেজি প্যাকেটে হাফ ফাইবার ৳৯৯০ এবং ফুল ফাইবার ৳১,০৯৫।
লাল চালে কী কী পুষ্টি উপাদান থাকে? +
লাল চাল ফাইবার, ভিটামিন বি কমপ্লেক্স (থায়ামিন, নিয়াসিন, বি৬), এবং আয়রন, ম্যাগনেসিয়াম, ক্যালসিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ ও সেলেনিয়ামের মতো খনিজ উপাদানে সমৃদ্ধ। এছাড়া এতে থাকা অ্যান্থোসায়ানিন নামক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে, যা সাদা চালের তুলনায় একে অনেক বেশি পুষ্টিকর করে তোলে।
লাল চাল খাওয়ার উপকারিতা কী কী? +
লাল চাল ফাইবার, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও খনিজে সমৃদ্ধ একটি স্বাস্থ্যকর খাবার, যা সাদা চালের চেয়ে অনেক বেশি উপকারী। এর কম গ্লাইসেমিক ইনডেক্স রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে, উচ্চ ফাইবার ওজন কমাতে ও হজমে সাহায্য করে, এবং এতে থাকা অ্যান্থোসায়ানিন হৃদরোগের ঝুঁকি কমিয়ে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
লাল চাল কি ওজন কমাতে সাহায্য করে? +

হ্যাঁ, লাল চাল ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়ক। এতে থাকা উচ্চ ফাইবার দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখে ও ক্ষুধা কমায়, আর কম গ্লাইসেমিক ইনডেক্সের কারণে রক্তে শর্করা হঠাৎ বাড়ে না, ফলে ফ্যাট জমার ঝুঁকি কমে। তবে সুফল পেতে পরিমিত খাদ্যাভ্যাস ও নিয়মিত ব্যায়ামও জরুরি।

লাল চাল খেলে কি ডায়াবেটিস বাড়ে? +
না, বরং সাদা চালের বদলে লাল চাল খাওয়া ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য উপকারী। এর কম গ্লাইসেমিক ইনডেক্স ও উচ্চ ফাইবার রক্তে শর্করা ধীরে শোষণে সাহায্য করে, ফলে সুগার হঠাৎ বাড়ে না। তবে পরিমাণে অতিরিক্ত খেলে যেকোনো কার্বোহাইড্রেটের মতোই সুগার বাড়তে পারে, তাই পরিমিত মাত্রায় খাওয়াই ভালো।
লাল চালের ভাত কাদের জন্য এড়িয়ে চলা উচিত? +
কিডনি রোগী, আইবিএস বা বদহজমে ভুক্তভোগী এবং যাদের রক্তে পটাসিয়াম বেশি থাকে, তাদের লাল চালের ভাত এড়িয়ে চলা উচিত। এতে থাকা উচ্চ ফাইবার ও পটাসিয়াম এসব সমস্যা আরও বাড়িয়ে দিতে পারে। তাই শারীরিক জটিলতা থাকলে খাদ্যতালিকায় যোগ করার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
কাটারি নাজির চালের বর্তমান দাম কত? +
OSCO Brand-এর কাটারি নাজির চালের দাম প্যাকেজভেদে ভিন্ন - ১ কেজি ৳১০৫, ১০ কেজি ৳৯৯০ এবং ২৫ কেজির বস্তা ৳২,২৭০। বড় প্যাকেজে কিনলে প্রতি কেজির দাম কম পড়ে।
আসল কাটারি নাজির চাল চেনার উপায় কী? +
আসল কাটারি নাজির চাল সরু, লম্বাটে ও একপ্রান্তে সামান্য বাঁকানো হয়। এর রং প্রাকৃতিক অফ-হোয়াইট, অতিরিক্ত চকচকে নয়। হাতে ঘষলে পাউডার ওঠে না এবং রান্নার পর হালকা মিষ্টি সুবাস পাওয়া যায়।
কাটারি নাজির চাল হাশকিং মিলের নাকি অটো রাইস মিলের? +
কাটারি নাজির সাধারণত হাশকিং মিল বা সেমি-অটো পদ্ধতিতে প্রস্তুত করা হয়, যাতে অতিরিক্ত পালিশ এড়িয়ে ফাইবার ও ভিটামিন বি কমপ্লেক্স অক্ষুণ্ণ রাখা যায়। অটো রাইস মিলের অতিরিক্ত পালিশ করা চালে এই পুষ্টিগুণ অনেকটাই কমে যায়।
কাটারি নাজির চাল কি ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য নিরাপদ? +
সাধারণ সাদা চালের চেয়ে কম পালিশ করা কাটারি নাজির চাল ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য তুলনামূলক ভালো, কারণ এর গ্লাইসেমিক ইনডেক্স কম। তবে পরিমিত পরিমাণে খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।
কাটারি নাজির চাল দিয়ে কি বিরিয়ানি বা পোলাও রান্না করা যায়? +
হ্যাঁ, বিশেষত তেহারি বা কাচ্চি বিরিয়ানিতে কাটারি নাজির চাল ব্যবহার করলে চিকন দানা ও সুবাসের কারণে স্বাদ বহুগুণ বেড়ে যায়। পোলাওয়েও এটি ব্যবহার করা যায়, তবে চিনিগুড়া আলাদা স্বাদ যোগ করে।
কাটারি নাজির চালে কী কী পুষ্টিগুণ আছে? +
এতে উচ্চ মাত্রায় ফাইবার, ভিটামিন বি১ এবং ম্যাঙ্গানিজ ও সেলেনিয়ামের মতো মিনারেল থাকে। কম পালিশ করা হওয়ায় এর গ্লাইসেমিক ইনডেক্সও কম, যা হজম ও রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে সহায়ক।
লাল চাল কত টাকা কেজি? +
OSCO ব্র্যান্ডের ন্যাচারাল ব্রাউন রাইস ফুল ফাইবার ১০ কেজির দাম ৳১,০৯৫ (নিয়মিত মূল্য ৳১,১৫০ থেকে ছাড়ে)। অর্থাৎ প্রতি কেজি পড়ে মাত্র প্রায় ৳১০৯.৫০। ডেলিভারি চার্জ সম্পূর্ণ ফ্রি এবং ক্যাশ অন ডেলিভারিতে অর্ডার করা যায়।
নাজিরশাইল চালের বর্তমান দাম কত? +
OSCO Brand-এর নাজিরশাইল চালের ২৫ কেজির বস্তা ৳১,৬৯৫ (নিয়মিত মূল্য ৳১,৯৫০ থেকে ছাড়ে) এবং ১ কেজি ৳৭৮। বড় প্যাকেজে কিনলে প্রতি কেজির দাম কম পড়ে।
আসল নাজিরশাইল চাল চেনার উপায় কী? +
আসল নাজিরশাইল চালের দানা মাঝারি-লম্বা, চিকন ও প্রায় সমআকৃতির হয়। রং হালকা সাদা থেকে ক্রিমি - অতিরিক্ত উজ্জ্বল সাদা মানে বেশি পলিশ করা হয়েছে। কাঁচা অবস্থায়ও হালকা মৃদু সুগন্ধ থাকে।
নাজিরশাইল চাল রান্নার পর কেমন হয়? +
রান্নার পর দানা নরম ও পরিপূর্ণভাবে ফুলে ওঠে এবং হালকা প্রাকৃতিক সুগন্ধ ছড়ায়। দানা ভেঙে পড়া বা অতিরিক্ত নরম হয়ে যাওয়া নিম্নমানের চালের লক্ষণ।
নাজিরশাইল চালে কী কী পুষ্টিগুণ আছে? +
এতে ভিটামিন বি গ্রুপ (B1, B2, B3), ডায়েটারি ফাইবার, ম্যাঙ্গানিজ ও কমপ্লেক্স কার্বোহাইড্রেট থাকে। ১ কাপ রান্না করা নাজিরশাইল চাল প্রায় ২০০-২২০ ক্যালরি দেয়।
নাজিরশাইল চাল কি ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য উপযুক্ত? +
নাজিরশাইল চালের গ্লাইসেমিক ইনডেক্স অপেক্ষাকৃত কম, তাই রক্তে শর্করা ধীরে বাড়ে, যা ডায়াবেটিক রোগীদের জন্য তুলনামূলক ভালো বিকল্প। ফাইবার সমৃদ্ধ হওয়ায় এটি কোলেস্টেরল কমাতেও সহায়ক।
নাজিরশাইল চাল দিয়ে কী কী রান্না করা যায়? +
নাজিরশাইল চাল দৈনন্দিন ভাত, খিচুড়ি ও পোলাও - সব ধরনের রান্নায় ব্যবহার করা যায়। এটি বাঙালির খাদ্যতালিকার একটি ঐতিহ্যবাহী ও বহুল ব্যবহৃত চালের জাত।
লাল মুড়ি আর সাদা মুড়ির মধ্যে পার্থক্য কী? +
লাল মুড়ি তৈরি হয় লাল চাল থেকে এবং সাদা মুড়ি তৈরি হয় পলিশড সাদা চাল থেকে। লাল মুড়িতে ফাইবার, আয়রন ও ভিটামিন বি অনেক বেশি থাকে। সাদা মুড়িতে প্রক্রিয়াজাতকরণে এই পুষ্টিগুণ অনেকটাই নষ্ট হয়ে যায়।
লাল মুড়ি কি ডায়াবেটিস রোগীরা খেতে পারবেন? +
হ্যাঁ, ডায়াবেটিস রোগীরা লাল মুড়ি খেতে পারবেন। এর গ্লাইসেমিক ইনডেক্স সাদা মুড়ির চেয়ে কম। উচ্চ ফাইবার রক্তে শর্করার মাত্রা হঠাৎ বাড়তে দেয় না। তবে পরিমাণ সম্পর্কে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া ভালো।
OSCO Brand এর লাল মুড়িতে কি কোনো রাসায়নিক ব্যবহার করা হয়? +
না। OSCO Brand এর লাল মুড়িতে কোনো ব্লিচিং এজেন্ট, কৃত্রিম রং বা রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহার করা হয় না। এর প্রাকৃতিক লালচে বাদামি রং লাল চালের নিজস্ব বৈশিষ্ট্য থেকে আসে। ভেজাল প্রমাণ করতে পারলে ১০০% মানি-ব্যাক গ্যারান্টি।
লাল মুড়ি কীভাবে সংরক্ষণ করবেন? +
লাল মুড়ি সংরক্ষণ করা খুব সহজ। প্যাকেট খোলার পরে শুকনো ও বায়ুরোধী পাত্রে রাখুন। আর্দ্রতা থেকে দূরে রাখলে ২ থেকে ৩ মাস ভালো থাকে। ফ্রিজে রাখার দরকার নেই। সরাসরি রোদ বা গরম জায়গায় রাখা থেকে বিরত থাকুন।
OSCO Brand-এ কয় ধরনের ব্ল্যাক রাইস পাওয়া যায়? +
OSCO Brand-এ তিনটি জাতের ব্ল্যাক রাইস পাওয়া যায় — ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া ও জাপানি জাত। এই তিনটি জাতই বর্তমানে বাংলাদেশে দেশীয়ভাবে চাষাবাদ করা হচ্ছে।
কোন জাতের ব্ল্যাক রাইস সবচেয়ে ভালো? +
তিনটি জাতের মধ্যে জাপানি ব্ল্যাক রাইস সবচেয়ে চিকন ও সুগন্ধি। রান্নার সময় হালকা সুবাস পাওয়া যায় এবং অন্য জাতগুলোর তুলনায় এটি বেশি কালো ও সুস্বাদু।
ব্ল্যাক রাইস এত দামি কেন? +
জাপানি জাতের ব্ল্যাক রাইস চাষ ও প্রক্রিয়াকরণ তুলনামূলক জটিল এবং ফলন কম হওয়ায় দাম বেশি। এছাড়া এর ঘনত্বপূর্ণ কালো রং ও তীব্র সুবাস আসে উচ্চমাত্রার প্রাকৃতিক অ্যান্থোসায়ানিনের কারণে, যা চাষের মানের ওপর নির্ভরশীল।
ব্ল্যাক রাইস খেলে কী স্বাস্থ্য উপকার পাওয়া যায়? +
ব্ল্যাক রাইসে থাকা অ্যান্থোসায়ানিন অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট প্রদাহ কমাতে ও কোষ সুরক্ষায় সাহায্য করে বলে মনে করা হয়। এতে ফাইবার ও আয়রনও তুলনামূলক বেশি থাকে, যা হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী।
ব্ল্যাক রাইস কি কেমিক্যালমুক্ত? +
হ্যাঁ, OSCO Brand-এর ব্ল্যাক রাইসেও কোনো ব্লিচিং এজেন্ট বা কৃত্রিম রং ব্যবহার করা হয় না। এর গাঢ় কালো রং সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক, প্রজাতিগত বৈশিষ্ট্য থেকে আসে।
ব্ল্যাক রাইস দিয়ে কী রান্না করা যায়? +
ব্ল্যাক রাইস ভাত, খিচুড়ি বা পায়েসের মতো বিভিন্ন খাবারে ব্যবহার করা যায়। এর স্বতন্ত্র রং ও সুবাসের কারণে অনেকে এটি সাদা বা লাল চালের সাথে মিশিয়েও রান্না করেন।
সরিষার তেলের উপকারিতা কী কী? +

সরিষার তেল স্বাস্থ্য, ত্বক ও চুলের যত্নে বহুমুখী উপকারিতা প্রদান করে। এতে থাকা ফ্যাটি অ্যাসিড ও ওমেগা-৩ হৃদযন্ত্রের সুস্থতা ও হজমে সহায়ক। নিয়মিত ব্যবহারে যেসব উপকার পাওয়া যায়, তা হলো:

  • হৃদরোগের ঝুঁকি হ্রাস: ক্ষতিকর কোলেস্টেরল কমিয়ে ও উপকারী কোলেস্টেরল বাড়িয়ে হৃদযন্ত্রকে সুরক্ষা দেয়।
  • প্রদাহ ও ব্যথা উপশম: আর্থ্রাইটিস, জয়েন্ট বা পেশির ব্যথা এবং ফোলাভাব কমাতে সহায়তা করে।
  • সর্দি-কাশি উপশম: বুক-পিঠে মালিশ করলে শ্বাসতন্ত্র পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে।
  • ত্বকের আর্দ্রতা রক্ষা: প্রাকৃতিক ময়েশ্চারাইজার হিসেবে কাজ করে ত্বকের শুষ্কতা ও ঠোঁট ফাটা রোধ করে।
  • চুলের যত্ন: চুলের গোড়া মজবুত করে, অকালপক্বতা ও খুশকি প্রতিরোধে সহায়ক।
  • রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি: প্রাকৃতিক জীবাণুনাশক গুণের কারণে সাধারণ সংক্রমণ প্রতিরোধে কার্যকর।

তবে হৃদরোগ বা অন্য কোনো শারীরিক জটিলতা থাকলে সরিষার তেল ব্যবহারের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

সরিষার তেল খেলে কি চর্বি হয়? +
হ্যাঁ, সরিষার তেলে প্রচুর পরিমাণে ফ্যাট রয়েছে, তবে এই ফ্যাট স্বাস্থ্যকর। ১০০ গ্রাম সরিষার তেলে প্রায় ৮৮৪ ক্যালোরি থাকে, যার পুরোটাই ফ্যাট। তবে এর ফ্যাট গঠন স্বাস্থ্যবান্ধব—প্রায় ৫৯-৬০% মনোআনস্যাচুরেটেড ফ্যাট (যা খারাপ কোলেস্টেরল কমায়), ২১% পলিআনস্যাচুরেটেড ফ্যাট (ওমেগা-৩ ও ওমেগা-৬ সমৃদ্ধ, যা মস্তিষ্ক ও প্রদাহ নিয়ন্ত্রণে সহায়ক) এবং মাত্র ১২% স্যাচুরেটেড ফ্যাট। তাই পরিমিত মাত্রায় খেলে এটি অতিরিক্ত মেদ বাড়ানোর বদলে বরং হৃদযন্ত্রের জন্য উপকারী ভূমিকা রাখে।
সরিষার তেল কি ক্যান্সারের জন্য ভালো? +
সরিষার তেলে থাকা ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড ও অ্যালিল আইসোথায়োসায়ানেট নামক যৌগ প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে, যা ক্যান্সারসহ বিভিন্ন দীর্ঘস্থায়ী রোগের ঝুঁকি কমাতে পরোক্ষভাবে ভূমিকা রাখতে পারে। তবে এটি ক্যান্সারের কোনো চিকিৎসা নয়, তাই নির্দিষ্ট সমস্যায় চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
সরিষার তেল কি ক্ষুধা বাড়াতে সাহায্য করে? +
হ্যাঁ, সরিষার তেল ক্ষুধা বাড়াতে সাহায্য করে। এটি পাকস্থলী থেকে পাচক রস ও এনজাইম নিঃসরণ বাড়িয়ে হজমশক্তি উন্নত করে, যার ফলে স্বাভাবিকভাবেই ক্ষুধা বৃদ্ধি পায়। আয়ুর্বেদেও একে প্রাকৃতিক হজম সহায়ক হিসেবে গণ্য করা হয়। তবে দীর্ঘমেয়াদি ক্ষুধামন্দা বা বদহজম থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
গর্ভাবস্থায় সরিষার তেল ব্যবহার করা কি নিরাপদ? +
গর্ভাবস্থায় রান্নায় সামান্য পরিমাণে সরিষার তেল ব্যবহার করা নিরাপদ, তবে অতিরিক্ত খাওয়া বা পেটে সরাসরি মালিশ করা এড়িয়ে চলা উচিত। এতে থাকা এরুসিক এসিড বেশি পরিমাণে গেলে মা ও গর্ভের সন্তানের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে, আর ত্বকে এর ঝাঁঝালো প্রভাবে র‍্যাশ বা অ্যালার্জি হতে পারে। তাই নিয়মিত ব্যবহারের আগে গাইনোকোলজিস্টের পরামর্শ নেওয়া ভালো।
দেশি গমের লাল আটার দাম কত? +
OSCO Brand-এর দেশি গমের লাল আটা ১ কেজি প্যাকেটে ৳৮৭ (নিয়মিত মূল্য ৳৯৮ থেকে ছাড়ে) পাওয়া যায়।
আটা ও ময়দার মধ্যে পার্থক্য কী? +
আটা গমের পুরো দানা থেকে তৈরি অপরিশোধিত ময়দা, যাতে তুষ ও জার্ম অক্ষুণ্ণ থাকায় ফাইবার বেশি। ময়দা অতিরিক্ত পরিশোধিত ও চালুনি করা, যেখানে বেশিরভাগ ফাইবার ও পুষ্টি বাদ পড়ে যায়। স্বাস্থ্যের জন্য আটা বেশি উপকারী
লাল আটা কি সাদা আটার চেয়ে স্বাস্থ্যকর? +
হ্যাঁ, লাল আটায় গমের বাইরের তুষের স্তর অক্ষুণ্ণ থাকায় ফাইবার, ভিটামিন বি ও আয়রন বেশি থাকে। সাদা আটায় প্রক্রিয়াজাতকরণে এই পুষ্টিগুণের একটি বড় অংশ নষ্ট হয়ে যায়।
দেশি গমের লাল আটা কি কেমিক্যালমুক্ত? +
হ্যাঁ, OSCO Brand-এর লাল আটায় কোনো ব্লিচিং এজেন্ট বা কৃত্রিম উপাদান ব্যবহার করা হয় না। এটি চাকিতে ভাঙা প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে প্রস্তুত করা হয়।
লাল আটা কি ওজন কমাতে সাহায্য করে? +
হ্যাঁ, লাল আটার উচ্চ ফাইবার দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখে, ফলে ঘন ঘন ক্ষুধা লাগে না এবং ক্যালরি গ্রহণ স্বাভাবিকভাবেই কমে। এটি ওজন নিয়ন্ত্রণের ডায়েটে একটি ভালো সংযোজন।
লাল আটা কীভাবে সংরক্ষণ করবেন? +
লাল আটা শুকনো ও বায়ুরোধী পাত্রে ঠান্ডা জায়গায় সংরক্ষণ করুন। আর্দ্রতা থেকে দূরে রাখলে এটি কয়েক সপ্তাহ থেকে কয়েক মাস পর্যন্ত ভালো থাকে।
লাল আটা দিয়ে কী কী তৈরি করা যায়? +
লাল আটা দিয়ে রুটি, পরোটা, লুচি সহ প্রতিদিনের সব ধরনের খাবার তৈরি করা যায়। এটি সাদা আটার সরাসরি বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করা যায়, স্বাদে খুব বেশি পার্থক্য থাকে না।
দেশি লাল চিনির দাম কত? +
OSCO Brand-এর দেশি লাল চিনি ১ কেজি প্যাকেটে ৳১৮৮ পাওয়া যায়।
লাল চিনি কি সত্যিই সাদা চিনির চেয়ে স্বাস্থ্যকর? +
লাল চিনি সাদা চিনির চেয়ে কম প্রক্রিয়াজাত এবং এতে আয়রন, ক্যালসিয়াম ও পটাশিয়াম বেশি থাকে। তবে ক্যালরি প্রায় একই, তাই পরিমাণে সচেতন থাকা জরুরি।
লাল চিনি ও সাদা চিনির মধ্যে পুষ্টিগত পার্থক্য কতটা? +
প্রতি ১০০ গ্রামে সাদা চিনিতে আয়রন মাত্র ০.০১ মিলিগ্রাম, লাল চিনিতে ১.৯ মিলিগ্রাম। ক্যালসিয়াম সাদা চিনিতে ১ মিলিগ্রাম, লাল চিনিতে ৮৩ মিলিগ্রাম - পার্থক্যটি উল্লেখযোগ্য।
ডায়াবেটিস রোগীরা কি লাল চিনি খেতে পারবেন? +
লাল চিনি সাদা চিনির তুলনায় কিছুটা ভালো, কিন্তু ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য এটিও সীমিত পরিমাণে খাওয়া উচিত। লাল আটা বা লাল চাল ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য আরও বেশি উপযুক্ত বিকল্প।
OSCO-এর লাল চিনিতে কি কৃত্রিম রং আছে? +
না। OSCO Brand-এর দেশি লাল চিনিতে কোনো কৃত্রিম রং বা কেমিক্যাল নেই। এর বাদামি রং সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক মোলাসেস থেকে আসে। ভেজাল প্রমাণে ১০০% মানি-ব্যাক গ্যারান্টি দেওয়া হয়।
রান্নায় সাদা চিনির বদলে কি সমান পরিমাণ লাল চিনি দিলে চলবে? +
হ্যাঁ, সাধারণত ১:১ অনুপাতে সাদা চিনির জায়গায় লাল চিনি ব্যবহার করা যায়। তবে লাল চিনি একটু বেশি মিষ্টি ও আর্দ্র হওয়ায় বেকিংয়ে সামান্য কম দিলে ভালো ফল পাওয়া যায়।
দেশি মসুর ডালের দাম কত? +
OSCO Brand-এর দেশি মসুর ডাল ১ কেজি প্যাকেটে ৳১৮৭ (নিয়মিত মূল্য ৳১৯৮ থেকে ছাড়ে) পাওয়া যায়।
OSCO Brand-এর মসুর ডাল কি কেমিক্যালমুক্ত? +
হ্যাঁ, এতে কোনো কৃত্রিম রং, পলিশিং এজেন্ট বা রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহার করা হয় না। ডাল সরাসরি নির্ভরযোগ্য উৎস থেকে সংগ্রহ করে পরিষ্কার করে প্যাকেজিং করা হয়।
মসুর ডালে কী কী পুষ্টিগুণ আছে? +
মসুর ডাল উদ্ভিজ্জ প্রোটিন, ফাইবার, আয়রন ও ফোলেটের একটি সমৃদ্ধ উৎস। এতে চর্বি কম থাকায় এটি সহজপাচ্য এবং প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় প্রোটিনের ভালো বিকল্প।
আসল মসুর ডাল চেনার উপায় কী? +
আসল মসুর ডালের রং প্রাকৃতিক লালচে-কমলা, অতিরিক্ত উজ্জ্বল বা চকচকে নয়। দানা সমান আকারের ও পরিষ্কার হয়; ধুলা বা মেশানো ভুসি থাকলে তা নিম্নমানের লক্ষণ।
মসুর ডাল কি শিশু বা প্রবীণদের জন্য উপযুক্ত? +
হ্যাঁ, মসুর ডাল সহজপাচ্য হওয়ায় শিশু ও প্রবীণ উভয়ের জন্য উপযোগী। এতে থাকা আয়রন ও প্রোটিন বাড়ন্ত শিশুর পুষ্টি চাহিদা পূরণে এবং প্রবীণদের শক্তি বজায় রাখতে সহায়ক।
C